Templates by BIGtheme NET
৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » মতামত » রুমিন ফারহানাকে বলবো এখনই নির্ধারণ করতে জীবনের গতিপথ, লোভ না নির্লোভ পথ?

রুমিন ফারহানাকে বলবো এখনই নির্ধারণ করতে জীবনের গতিপথ, লোভ না নির্লোভ পথ?

প্রকাশের সময়: আগস্ট ২৫, ২০১৯, ৬:১৮ অপরাহ্ণ

আমি চেয়েছিলাম রুমিন ফারহানা এমপি হোন। হয়েছেন। খুশি হয়েছি। অলি আহাদের বাড়ি কই কেউ জানতে চায়না। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের বাড়ি আছে কিনা দরকার নেই! দেশ তাদের বাড়ি।

অলি আহাদের মেয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি হিসেবে আর ১০জনের সাথে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেন অসুবিধা নেই। আর সবার সাথে প্লট যতটুকু পান ততটুকু নেন অসুবিধা নাই। কিন্তু মন্ত্রীর কাছে ১০কাটার প্লটের করুন আবেদন ও প্লট পেলে চির কৃতজ্ঞ থাকার অঙ্গীকার বাবার ব্যক্তিত্ব নিজের কথাবার্তার সাথে বড় বেশি অসংগতিপূর্ণ। বড় হতে হলে নির্লোভ নিরাভরণ হতে হয়। অর্থ বিত্তের মোহ লোভ আর যাই হোক ক্ষমতাবান করলেও বড় আদর্শিক রাজনীতিবিদ হতে দেয়না। মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা নিয়ে মরতে দেয়না।

মতিয়া চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবন বর্ণাঢ্য ও সাহসী। কিন্তু তার শক্তির উৎস হচ্ছে নির্লোভ সাদামাটা নিরাভরণ সৎ জীবন। রুমিন ফারহানা মতিয়া চৌধুরী না হন, তারানা হালিমের মতোন হবেন আশা করেছিলাম। হোচট নিজে খাননি, তার পর্যবেক্ষকরা খেয়েছেন। মানে ক্ষমতা পেলে মন্ত্রী হলে তিনি গুলশানেই বড় প্লট করবেন না, অনেক কিছুই করবেন এমন সন্দেহ ভিতরে জন্ম দিয়েছেন।

এদেশে অনেক রাজনৈতিক নেতাকর্মী লোভী, অসৎ যেমন সত্য তেমনি অসংখ্য নেতা কর্মী সৎ নির্লোভ।অনেকে সুযোগের অভাবে সৎ থাকেন এটা যেমন সত্য তেমনি অনেকে সুযোগ পেয়েও সৎ নির্লোভ থাকেন এটাও রাজনীতি সমাজে দৃশ্যমান বলেই এখনো দেশটা ঠিকে আছে।

আমার ব্যক্তিগত স্নেহের অনুজ রুমিন ফারহানাকে বলবো এখনই নির্ধারণ করতে জীবনের গতিপথ। লোভ না নির্লোভ পথ? সাদামাটা নিরাভরণ, মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বের জীবনে অসুবিধা কই? ভালো পোশাক স্বচ্ছল জীবনযাপনেও সৎ থাকা যায়, নির্লোভ পথে হাটা যায়।

অনেকেই ১০কাটার প্লটই নয় পথের গরিব কর্মী থেকে অঢেল বিত্তের মালিক হয়েছেন, রুমিন ফারহানাকে সেটা মানায় না। এমপি হিসেবে যেটুকু বরাদ্দ তার বাইরে চাওয়াই লোভ।

কদিন আগে দেখলাম আজীবনের সৎ মানুষ সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আনার অনুমতি পেয়েছেন! কি হতো না নিলে? সবার শ্রদ্ধার মানুষ তিনি! এখন তিনি এমপি নন। সংবিধান সকল নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। তাহলে এ সুবিধা আর কেউ পাবেনা কেনো? বুঝিনি!

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

twelve − 3 =