Templates by BIGtheme NET
২ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৭ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : নজরদারির আওতায় আসছে দেড় শতাধিক এনজিও

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : নজরদারির আওতায় আসছে দেড় শতাধিক এনজিও

প্রকাশের সময়: আগস্ট ২৪, ২০১৯, ৪:০৮ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকা পাঠালে বাংলাদেশ সরকার তাতে সাড়া দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত তা আর সফল হয়নি। বাংলাদেশে অবস্থান করা এসব রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে ফিরতে অনীহা প্রকাশ করে। যদিও মিয়ানমারে যেতে হলে কিছু শর্ত বেধে দেয় রোহিঙ্গারা। আর শর্ত পূরণ হলেই নিজ দেশে ফিরে যেতে কোনো আপত্তি নেই তাদের।

জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে যেতে অনাগ্রাহী হওয়া ও তাদের শর্ত বেঁধে দেওয়ার পেছনে দেশি-বিদেশি একাধিক এনজিও সংস্থা যুক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে দেশী-বিদেশী ১৫০টিরও বেশি এনজিও সংস্থা কর্মকান্ড চালাচ্ছে। তারমধ্যে বেশ কিছু এনজিও সংস্থার অপতৎপরতা খুবই আপত্তিকর। এসব এনজিও’র কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে মিয়ানমারে ফেরত না যেতে রোহিঙ্গাদের উৎসাহিত করছে, এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এদিকে, দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে ব্যার্থ হওয়ায় বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করছে, দেশি-বিদেশী কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের ইন্ধন যোগাচ্ছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত ১৫০টির বেশি দেশি-বিদেশী এনজিও’র তালিকা করে তাদের নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু রোহিঙ্গা নেতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আব্দুল মোমেন আরও বলেন, এখানে অনেক মাঝি আছেন, যারা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা হিসেবে পরিচিত। তাদের অনেকে বিভিন্ন রকম অপকর্মে লিপ্ত আছেন, আমরা তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে এই তালিকা করছি বলেও জানান তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এনজিওতে যেসব বিদেশিরা কাজ করে, তাদের বেশির ভাগেরই জব ভিসা নেই। তারা ভ্রমণ ভিসায় এসে চাকরি করছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাকড়াও থেকে বাঁচার জন্য প্রতি ৪৫ দিন পর আশপাশের বিভিন্ন দেশ থেকে ঘুরে আসে তারা। যেমন- মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, নেপাল ইত্যাদি। এরফলে তারা সহজেই সরকারের আইন প্রয়োগকারি সংস্থার চোখে ধুলো দিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

sixteen − four =