Templates by BIGtheme NET
২ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৭ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
Home » অর্থনীতি » এবার ভারতের চেয়ে জিডিপিতে এগিয়ে বাংলাদেশ ; এডিবি প্রতিবেদন

এবার ভারতের চেয়ে জিডিপিতে এগিয়ে বাংলাদেশ ; এডিবি প্রতিবেদন

প্রকাশের সময়: আগস্ট ১৯, ২০১৯, ১:৩৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

এডিবি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ হতে পারে। এরপরের অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

এছাড়াও মালদ্বীপের ৬ দশমিক ৫, নেপালের ৬ দশমিক ২, ভুটানের ৫ দশমিক ৭, পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৭ এবং শ্রীলঙ্কার জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আফগানিস্তানের সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে জানিয়েছে এডিবি।

১৪ আগস্ট এডিবি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০১৯ আপডেট প্রকাশ করেছে। সেখানে বাংলাদেশে এডিবির আবাসিক প্রতিনিধি মনমোহন প্রকাশ সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘এ বছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরো তরান্বিত হবে। বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কম হলেও বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকবে।’

এ ছাড়া জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ার ক্ষেত্রে শিল্পের প্রবৃদ্ধি মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

এডিবি ঢাকা অফিসের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ সন চ্যাং হং ,তিনি বলেন, কৃষি ফলন বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও তেলের দাম কম হওয়ায় মূল্যস্ফীতি বাড়বে না।

যদিও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আগামী অর্থবছরে (২০১৯-২০) বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছি। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশ গত ১০ বছরে সরকারের ধারাবাহিক সাফল্যে ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থ হয়েছে এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

সন চ্যাং হং আরও বলেন, ২০১৮ সালে ৭ দশমিক ৯ এবং ২০১৭ সালে ৭ দশমিক ৩ প্রবৃদ্ধি অর্জন দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম। ১৯৭৪ সালের পরে এটা বড় অর্জন। রফতানি, পণ্যের সরবরাহ ও শিল্পের বিকাশ সঠিক পথে আছে।

দেশের উন্নয়ন ধরে রাখতে কিছু চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে এডিবি ঢাকা অফিসের সিনিয়র এই অর্থনীতিবিদ বলেন, দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নত করতে হবে। শিল্পের ভিত বাড়িয়ে রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে।  এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করলে বাংলাদেশের উন্নয়ন টেকসই হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two × four =