Templates by BIGtheme NET
৬ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » বিবিধ » বাংলাদেশের যে দ্বীপের সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতি প্রেমীরা

বাংলাদেশের যে দ্বীপের সৌন্দর্যে মুগ্ধ প্রকৃতি প্রেমীরা

প্রকাশের সময়: জুলাই ১৮, ২০১৯, ৯:২৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে নতুন একটি দ্বীপের সন্ধান পাওয়া গেছে। যদিও এই দ্বীপটির সন্ধান মিলেছিলো বহুদিন আগে। তবে নতুন করে এই দ্বীপটি নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কোনো পর্যটন কেন্দ্রের তালিকাতে না থাকলেও এই দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন সবাই। ইতোমধ্যে দ্বীপটির সৌন্দের্যের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে সারা দেশে।

জানা যায়, নতুন এই দ্বীপটির নাম ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’। অনেকের কাছে আবার পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত এটি। ৭.৮৪ বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট এই দ্বীপটি সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে দুই মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। খুলনার মংলা উপজেলার দুবলার চর হতে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দ্বীপটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৯২ সালে। মৎস্য শিকারি মালেক ফরাজীসহ দুইজন জেলে প্রথম এই দ্বীপে অবতরণ করেন। বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ ভক্ত হওয়ায় তিনি সেই সময়ই বঙ্গবন্ধু দ্বীপ নামে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন। আর তখন থেকেই এটি বঙ্গবন্ধু দ্বীপ নামে পরিচিত।

সম্প্রতি দ্বীপটি নিয়ে গবেষণা করেছেন মো. শহীদুল ইসলাম নামের এক অধ্যাপক। দীর্ঘ ১৬ দিন গবেষণার পর তিনি জানান, গত ২৫ বছরে দ্বীপের পরিধি অনেকটাই বিস্তৃত হয়েছে। এই দ্বীপে সর্বমোট নয় কিলোমিটার লম্বা সাগর সৈকত রয়েছে। দ্বীপটিতে কোনো চোরাবালির চিহ্ন নেই। অন্যান্য সাগর সৈকতের তুলনায় এই সৈকতের পানি এতটাই স্বচ্ছ যে এখানে সহজেই ভয়হীনভাবে সাঁতার কাটা যায়।

এই দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ লাল কাঁকড়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, লাল কাঁকড়া দূর থেকে দেখে মনে হয় যেন লাল রংয়ের সৈকত। এই সৈকতে বিশাল বনভূমি রয়েছে। তবে দ্বীপে কোনো সরীসৃপ নেই। সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি জীববৈচিত্রের সন্ধান রয়েছে সেখানে। আমি যতটুকু অনুসন্ধান করেছি তাতে বাঘের কোনো চিহ্ন না পেলেও হরিণের চিহ্ন পেয়েছি।

এই দ্বীপটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি মনে করি অন্যান্য সাগর সৈকতের তুলনায় এই সৈকতের সৌন্দর্য কোনো অংশে কম নয়। এছাড়াও এই দ্বীপের আশপাশে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত কোনো মানববসতি নেই। যার কারণে এই দ্বীপটি অনেকটাই সুনসান। এজন্য সরকারি পর্যায়ে এই দ্বীপের আন্তর্জাতিক প্রচারণা প্রয়োজন। এমনকী দেশের মানুষও জানে না যে এই দেশে এত সুন্দর দ্বীপ রয়েছে। দ্বীপটিকে অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষের জন্য আকর্ষণীয় স্পট হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে বলেও মনে করেন এই গবেষক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nine + twelve =