Templates by BIGtheme NET
৬ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » বিশেষ সংবাদ » প্রিয় সন্তানের জন্য কি রেখে গেলেন এরশাদ

প্রিয় সন্তানের জন্য কি রেখে গেলেন এরশাদ

প্রকাশের সময়: জুলাই ১৬, ২০১৯, ১২:১৮ অপরাহ্ণ

দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে গত ১৪ জুলাই পরলোক গমন করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। বেশ কিছুদিন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এই সাবেক সেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতির জীবন ছিল বর্ণাঢ্য। তাকে নিয়ে আমাদের রাজনীতিতে আলোচনা-সমালোচনার কোনো শেষ ছিল না। তাকে নিয়ে অনেক প্রশ্ন আর সমালোচনার মধ্যে অন্যতম ছিল তার সম্পত্তি বণ্টনের প্রশ্নটি। জানামতে তিনি যথেষ্ট সম্পদের মালিক ছিলেন। তবে সে সম্পত্তির হিসাব অনেকের কাছেই অজানা। তার মৃত্যুর পর কে তার সম্পত্তির কতো অংশ পাবেন তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা থাকলেও অবশেষে তার অবসান ঘটেছে।

মৃত্যুর পূর্বে এরশাদ যাদের নামে সম্পত্তির অংশ লিখেছেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এরিক এরশাদ। জানা গেছে, ঢাকার ৩টি ফ্ল্যাট, ব্যাংকের টাকা, হিমাগার এবং হাসপাতালসহ নিজ নামের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিকে ট্রাস্টের আওতায় নিয়ে এসেছিলেন এইচ এম এরশাদ। এসব সম্পত্তির একমাত্র ভোগ দখলকারী করে যান প্রিয় সন্তান এরিককে। তবে এরিক শুধু সম্পত্তি ভোগই করতে পারবেন। কিন্তু বিক্রি করতে পারবে না এক কানাকড়িও। ট্রাস্টের উইল অনুযায়ী, এরিকের কোন উত্তরাধিকার না থাকলে পুরো সম্পত্তি চলে যাবে সরকারের দখলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর দূতাবাস রোডের প্রেসিডেন্ট পার্ক। ডেভেলপারকে দিয়ে বানানো বাড়িটি থেকে ৪টি ইউনিট পেয়েছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এরমধ্যে বিক্রি করে দেন দুটি। ৫ম তলার বাকি দুই ইউনিটকে এক করে ৫ হাজার স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাটে সন্তান এরিককে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। শুধু তাই নয়, বনানী ও গুলশানে আরো দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে এরশাদের। এর বাইরে ব্যাংকে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার ফিক্স ডিপোজিট। রংপুরের দর্শনায় ৪৮ শতক জমির ওপর অবস্থিত পল্লী নিবাস। পুরানো বাড়িটি ভেঙ্গে নির্মিত হচ্ছে অত্যাধুনিক ভবন।

এছাড়া, মিঠাপুকুরে বিশাল জায়গাজুড়ে পল্লীবন্ধু কোল্ড স্টোরেজ। একসঙ্গে প্রায় দেড় লাখ বস্তা আলু এই হিমাগারে মজুদ করা যায়। এটি ছিল এরশাদের নগদ আয়ের অন্যতম উৎস। মৃত্যুর আগে এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিকে ট্রাস্টের আওতায় এনে একমাত্র ভোগ দখলকারী করে যান সন্তান এরিককে। এখন ভাগ-বাটোয়ারার বাইরে রয়ে গেছে ভারতের কুচবিহারে ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে থাকা পৈতৃক সম্পত্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

1 + eight =