Templates by BIGtheme NET
৫ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১৯ সফর, ১৪৪১ হিজরী
Home » আইন- আদালত » সেই দুদক পরিচালকের পদে নতুন নিয়োগে বাধা নেই

সেই দুদক পরিচালকের পদে নতুন নিয়োগে বাধা নেই

প্রকাশের সময়: জুলাই ১১, ২০১৯, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের জন্য মহাপরিচালক পদ খালি রাখতে আগের দেয়া আদেশ তুলে নিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও মোহাম্মাদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর ফলে এই পদে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ বা পদোন্নতিতে দুদকের আর বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। খন্দকার এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাছিরের জন্য দুদকের মহাপরিচালক পদ খালি রাখার আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত। এরপর দুদকের আবেদনের শুনানিতে আদালত আগের আদেশ প্রত্যাহার করে নিলেন।

আদেশের পর খুরশীদ আলম খান বলেন, গত ২ জানুয়ারি তার এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। পরে ২৯ জানুয়ারি আদালত একটি মহাপরিচালক পদ খালি রাখতে নির্দেশ দেন। এরমধ্যে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে এই কর্মকর্তা সাসপেন্ড হয়েছে। আর সেই ঘটনার এখন তদন্ত চলছে।

আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, মহাপরিচালক পদে নিয়োগে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে গত জানুয়ারিতে রিট করেন এনামুল বাছির। আদালত তখন রুল দিয়েছেন কেন তাকে প্রমোশন দেয়া হবে না।

পরে অন্তর্র্বতীকালীন আদেশ দেন যে, দুদকের আটটি মহাপরিচালক পদের মধ্যে একটি তার জন্য খালি রাখতে। আজকে রুলটা শুনানির জন্য ধার্যয ছিল। যেহেতু ইতিমধ্যে তিনি সাসপেন্ড হয়েছেন সে কারণে তার জন্য পদ খালি রাখার আদেশ ভ্যাকেট (আদেশ তুলে নেয়া হলো) করা হল।

রুলটি পরবর্তীতে শুনানি হবে উনার বিভাগীয় তদন্তের পর। যদি উনি তদন্তে জিতেন তাহলে রুল শুনানি হবে। আর তিনি যদি ডিসমিসড (চাকুরিচ্যুত) হন তাহলে রুলটা অকার্যিকর হবে।

তিনি বলেন, আদালত দুদকের আইনজীবীকে জিজ্ঞেস করেছিলো তদন্ত কবে শেষ হবে-জবাবে উনি বলেছেন একমাসের মতো সময় লাগতে পারে। এরপর আদালত রুল শুনানির জন্য ২৫ আগস্ট দিন ঠিক করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর নারী নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয় পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে। এরপর তার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় তদন্ত শুরু করে দুদক। এই তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন বাছির।

তবে তদন্ত চলার সময় পাওয়া তথ্য অভিযুক্তের কাছে ফাঁস করে আপসরফার মাধ্যমে দুই দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন তিনি। ডিআইজি মিজান নিজেই এমন অভিযোগ করেন বাছিরের বিরুদ্ধে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

16 + 20 =