Templates by BIGtheme NET
৩১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৫ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিজ্ঞান- প্রযুক্তি » বিশ্বে মাত্র ১টি অবজারভেটরি নির্মাণ সম্ভব, সেটি বাংলাদেশের ফরিদপুরে

বিশ্বে মাত্র ১টি অবজারভেটরি নির্মাণ সম্ভব, সেটি বাংলাদেশের ফরিদপুরে

প্রকাশের সময়: জুলাই ১১, ২০১৯, ১২:২৮ অপরাহ্ণ

অবজারভেটরি বা মানমন্দির। মহাকাশ বা আবহাওয়া গবেষণার জন্য খুব কার্যকরী একটি কেন্দ্র। বিশ্বের অনেক দেশেই এটি বানানো হয়। তবে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন পৃথিবীর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা গুলো যেখানে পরস্পর ছেদ হয়েছে সেগুলো অবজারভেটরি বানানোর জন্য সবচেয়ে উত্তম স্থান।

এই নিয়ে বিস্তর গবেষণা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা যা আবিস্কার করেছেন বাংলাদেশের জন্য আরও চমকপ্রদ একটি খবর।  কারণ বাংলাদেশ হচ্ছে একমাত্র দেশ যেখানে স্বংসম্পূর্ণ একটি অবজারভেটরি বানানো সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভৌগোলিক কারণে পৃথিবীতে তিনটি পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত রেখা আছে, সেগুলো হলো—কর্কটক্রান্তি, মকরক্রান্তি ও বিষুবরেখা। ঠিক সে রকম চারটি উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত রেখা আছে, সেগুলো হলো—শূন্য ডিগ্রি, ৯০ ডিগ্রি, ১৮০ ডিগ্রি এবং ২৭০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, চারটি উত্তর-দক্ষিণ রেখা এবং তিনটি পূর্ব-পশ্চিম রেখা—সব মিলিয়ে ১২ জায়গায় ছেদ করেছে। নিঃসন্দেহে এই ১২টি বিন্দু হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিন্দু।

এই ১২টি বিন্দুর ১০টি বিন্দুই পড়েছে মহাসাগরে, তাই মানুষ সেখানে যেতে পারে না। একটি পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে, সেখানেও জনমানুষ যায় না। শুধু একটি বিন্দু পড়েছে শুকনা মাটিতে, যেখানে মানুষ যেতে পারে, সেই বিন্দুটি পড়েছে বাংলাদেশে। জায়গাটি ফরিদপুরের কাছে ভাঙ্গা উপজেলায়।

তিনি আরো বলেন, মাদাগাস্কার ওপর দিয়ে মকরক্রান্তি গিয়েছে এবং সেটাকেই তারা গুরুত্ব দিয়ে রক্ষা করার ব্যবস্থা করেছে। আমাদের বেলায় শুধু কর্কটক্রান্তি নয়, তার সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাও আছে। ফলে এটি হচ্ছে একটা মানমন্দির তৈরি করার জন্য একেবারে আদর্শতম জায়গা। যেহেতু পৃথিবীর আর কোথাও এ রকম নেই।

সম্প্রতি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশে বৈশ্বিক অভিযোজন কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন। ফরিদপুরেই সেটা নির্মাণ কবে কিনা এখনো জানা জায়নি। তবে বঙ্গবন্ধুর নামে ফরিদপুরে একটি অবজারভেটরি বানানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার।

সংস্লিষ্টরা বলছেন  এটা যদি ঠিকভাবে তৈরি করে সবাইকে জানানো যায়, তাহলে সারা পৃথিবী থেকেই মানুষ এখানে আসবে। এটা হতে পারে দেশের অন্যতম একটা পর্যটনকেন্দ্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 × four =