Templates by BIGtheme NET
১০ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৪ জুন, ২০১৯ ইং , ২০ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী
Home » অন্য পত্রিকার খবর » ২ হাজার এটিএম বুথের তথ্য চুরির শঙ্কা

২ হাজার এটিএম বুথের তথ্য চুরির শঙ্কা

প্রকাশের সময়: জুন ১১, ২০১৯, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

জাগো ডেস্কঃ

চোখ কপালে ওঠার মতো তথ্য এসেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। ৩ বছর আগে দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে আনুমানিক ২ হাজার এটিএম বুথের যন্ত্র সরবরাহকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গোপন চুক্তির পরিকল্পনা করেছিল একটি হ্যাকার গ্রুপ। তবে সেই চুক্তি বাস্তবায়নে তারা কতটুকু সফল হয়েছে তা বের করার চেষ্টা করছে ডিবি।

এদিকে সিআইডি জানায়, বুথে ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বাড্ডা থানায় মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলা করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

কর্মকর্তারা আরও বলেন, হ্যাকার গ্রুপকে দ্রুত গ্রেফতার করতে পারায় তারা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল সেবার এসব ফাঁক-ফোঁকর বন্ধ করা না গেলে চরম ঝুঁকিতে পড়বে এ খাত।

এই মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ডিবির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহিদুর রহমান রিপন জাগো নিউজকে বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে। গ্রেফতারকৃতদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তাদের কারাগারে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এদিকে এটিএম ও পয়েন্ট অব সেলস (পস) মেশিন জালিয়াতির প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল ৩ বছর আগে গুলশানে। সেই মামলার অগ্রগতির বিষয়ে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট উপ-কমিশনার (ডিসি) আলিমুজ্জামান বলেন, সেই মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। তদন্তে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি পিওটার ও সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ এর বাইরেও চক্রের একাধিক সদস্যের নাম পাওয়া গেছে। মামলায় তাদের আসামি করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।

এর আগে ২০১৬ সালের মে মাসে তিন দিনের বিশেষ মিশন নিয়ে আসে তিন চীনা নাগরিক। তাদের মধ্যে জ্যু জিয়ানহুই রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের প্রাইম ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার সময় ধরা পড়ে। নিরাপত্তাকর্মীর সন্দেহ করে তাকে পাকড়াও করেছিলেন।

একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে কয়েকটি ব্যাংকের এটিএম কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় পিওটার নামে জার্মানির এক নাগরিককে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। তার পেশাই ছিল এটিএম কার্ড ও পয়েন্ট অব সেলস (পস) মেশিন জালিয়াতি। তার সঙ্গে সিটি ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা জড়িত ছিল। ওই সময় সিটি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকেও গ্রেফতার করেছিল ডিবি। সর্বশেষ ৩১ মে ফের ঢাকায় সাত দিনের মিশন নিয়ে আসে হ্যাকার গ্রুপের সদস্য ইউক্রেনের সাত নাগরিক। চক্রের ছয় সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও এখনও আত্মগোপনে রয়েছে চক্রের আরও কয়েক সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 × 5 =