Templates by BIGtheme NET
১০ আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৪ জুন, ২০১৯ ইং , ২০ শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী
Home » বিজ্ঞান- প্রযুক্তি » এবার জলজ প্রাণীদের গুপ্তচর বানানোর পরিকল্পনা বিজ্ঞানীদের !

এবার জলজ প্রাণীদের গুপ্তচর বানানোর পরিকল্পনা বিজ্ঞানীদের !

প্রকাশের সময়: জুন ৯, ২০১৯, ৮:০৭ অপরাহ্ণ

নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি দেশেরই গুপ্তচর সংস্থা রয়েছে। বড়সড় হামলা ঠেকানো যেমন গুপ্তচর সংস্থার কাজ, তেমনই শত্রুদের যাবতীয় গোপন অপারেশনের খবর রাখা এবং প্রয়োজন পড়লে গোপন মিশন চালিয়ে শত্রুদের যাবতীয় পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়ার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দিয়ে তৈরি করা হয় এই স্পেশাল স্কোয়াড।

এদিকে, গুপ্তচর, অস্ত্র পরিবহন বা সতর্কতা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রাণীদের ব্যবহারের ইতিহাস পুরনো। তবে সাগরের প্রাণীদের সচল সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা অদ্ভুত মনে হতে পারে। যদিও ১৯৬০ এর দশকেই মার্কিন নৌ বাহিনী ডলফিনকে প্রশিক্ষণ দিতো সমুদ্রে মাইন শনাক্ত করা এবং ডুবে যাওয়া নৌ সদস্যদের উদ্ধারে। রাশিয়াও একই ধরনের কাজ করতো। এছাড়া, হাঙ্গর, ইঁদুর এবং কবুতরও বহু বছর ধরে এধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

সম্প্রতি যখন একটি বেলুগা তিমিকে মুখের সাথে ফিতা পরানো অবস্থায় পাওয়া যায়, তখন ধারণা করা হয় যে সেটিকে রাশিয়ান সেনাবাহিনী গুপ্তচর হিসেবে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। আর এ কারণেই মূলত সাগরের জলজ প্রাণীদের নিয়ে গুপ্তচর বানানোর পরিকল্পনা আসে বিজ্ঞানীদের মাথায়।

জানা যায়, ইউএস ডিফেন্স এডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্ট এজেন্সি বা ডারপা সমুদ্রের বড় মাছ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র প্রাণী- সবকিছুকে পানির নিচের সতর্কতা বৃদ্ধির কাজে লাগানোর ওপর গবেষণা করছে।

এমনই একটি প্রোজেক্টের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রাণী ও উদ্ভিদ জগত মানুষের তথ্যের ভাণ্ডারে এনে দিতে পারে এক বিশাল বিপ্লব। আমরা এসব জীবের বিভিন্ন আচরণের পরিবর্তন বুঝতে চাই প্রাকৃতিক কারণ ও মানব সৃষ্ট কারণের মাঝে। এমন অনেক প্রজাতির মাছ আছে যারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ সৃষ্টির জন্যে কিংবা বাইরের কোন বিপদের আশঙ্কা থাকলে শব্দ সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এর গবেষক ড. হেলেন বেইলি বলেন, আমরা বেশকিছু সেন্সর কিছু মাছের শরীরে লাগিয়ে দিয়েছি। এখন আমরা তাদের চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করতে পারছি।

তিনি আরও বলেন, পতিপক্ষকে নজরদারি করতে উড়োজাহাজ, নৌ যান, হাইড্রোফোন প্রযুক্তি, তদারকি প্রযুক্তি এর সবই খুবই ব্যয়বহুল এবং এসব দিয়ে সমুদ্রের খুব অল্প অংশেই নজরদারি রাখা সম্ভব। আর এর পরিবর্তে সাগরতলের কোন নৌযানের উপস্থিতি টের পেতে সমুদ্রের জীবগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে বিশাল অঞ্চলকে তদারকি সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

twelve − 12 =