Templates by BIGtheme NET
৩ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৮ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
Home » আন্তর্জাতিক » রুশ-মার্কিন যুদ্ধে, জাহাজ দিয়ে ধাক্কাধাক্কির নতুন ফর্মুলা

রুশ-মার্কিন যুদ্ধে, জাহাজ দিয়ে ধাক্কাধাক্কির নতুন ফর্মুলা

প্রকাশের সময়: জুন ৯, ২০১৯, ৮:২৮ অপরাহ্ণ

যুদ্ধ মানেই টানটান উত্তেজনা। সেনা ছাউনিতে ব্যপক প্রস্তুতি। বিশেষ করে বিশ্বের দুই পরাশক্তি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের রেষারেষি তো বিশ্ববিখ্যাত।

সম্প্রতি ফিলিপাইন মহাসাগরে আরেকটি ঘটনা ঘটিয়েছে দুই দেশের নৌবাহিনী। সোজা কথায় জাহাজ দিয়ে ধাকাধাক্কি করার মতো অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলো দুই দেশের যুদ্ধ জাহাজ। বিশ্লেষকরাও একে ছেলেমানুষি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

মার্কিন নৌবাহিনী শুক্রবার (৭ জুন) জানিয়েছে, ফিলিপাইন সাগরে একটি রুশ ডেস্ট্রয়ারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্রুজারের প্রায় ধাক্কা লেগে যাচ্ছিল। জাহাজের কমান্ডার ক্লেয়টন ডোস বলেন, ফিলিপাইন কার্যক্রম পরিচালনার সময় রাশিয়ার Udaloy সিরিজের একটি ডেস্ট্রয়ার মার্কিন তাইকোনড্রগা ক্লাসের ক্রুজারের এর ৫০ মিটারেরও কাছে চলে আসে। কিন্তু মার্কিন বাহিনী গতি কমিয়ে সংঘর্ষ এড়ায়।

অপরদিকে রাশিয়ার নৌবাহিনী বলেছে, ‘প্রশান্ত মহাসাগরে তাদের একটি ডেস্ট্রয়ারের সঙ্গে প্রায় ধাক্কা লাগিয়ে দিয়েছিল মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজ। তবে রুশ নাবিকরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ায় সংঘর্ষ এড়ানো গেছে।

তবে যুদ্ধ বিশারদরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে শতভাগ ভূল হলেও দুটো যুদ্ধ জাহাজের সংঘর্ষ হওয়া সম্ভব নয়। বরং উভয় পক্ষের একগুয়েমির কারণেই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিলো।

জানা গেছে, যখন কোন জাহাজ সমুদ্রে  রাউন্ড আকারে টহল দেয় তখন তাদের একটি কোর্স রুট থাকে। অন্য যে কোন জাহাজ রাডার দিয়ে এই কোর্স রুট (কখন কোন এলাকা অতিক্রম করবে) বুঝতে পারে এবং সেই অনুযায়ি নিজের কোর্স রুট তৈরী করে। তাতে সংঘর্ষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

কিন্তু ফিলিপাইন সাগরে নিজেদের একগুয়েমির কারণে কেউই তাদের কোর্স রুট পরিবর্তন করেনি। দুই পক্ষই চেয়েছিলো অপরকে রুট পরিবর্তনে বাধ্য করতে।

প্রকাশিত সংবাদের ছবি দেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, শেষ মুহুর্তে যুক্তরাষ্ট্র তাদের জাহাজের গতি কমালেও রুট অনড় রাখে রাশিয়া। তবে রুশ জাহাজটি কৌশলে গতি বাড়িয়ে সংঘর্ষ এড়ায়। বিম্লেষকদের মতে এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ। শুধু সমুদ্রে নয় এবছরই আকাশে কয়েকবার এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাষ্ট্র দুটি।

বিশ্লেষকদের মতে কোন রাষ্ট্রই সহজে যুদ্ধে জড়াতে চায় না। কিন্তু প্রতিপক্ষকে বোঝাতে চায় আমরা সবসময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তাই এই ধরনের মনোস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করেছে প্রতিযোগী রাষ্ট্রগুলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

6 + sixteen =