Templates by BIGtheme NET
৩১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৫ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিনোদন » ঈদে সিনেপ্লেক্সে হলিউডের তিন সিনেমা

ঈদে সিনেপ্লেক্সে হলিউডের তিন সিনেমা

প্রকাশের সময়: মে ২৪, ২০১৯, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ

বিনোদন ডেস্ক :

২৪ মে একসঙ্গে হলিউডের তিনটি ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্সে। ছবিগুলো হলো ‘জন উইক: চ্যাপ্টার ৩’, ‘ব্রাইটবার্ন’ এবং ‘আলাদিন’। জন উইক সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘জন উইক: চ্যাপ্টার ৩’ পরিচালনা করেছেন ক্যাড স্টেহলস্কি। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন কিয়ানু রিভস। আরও অভিনয় করেছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী হ্যালি বেরি, লরেন্স ফিশবার্ন, মার্ক ড্যাকেসকস, কেট ডিলন, ল্যান্স রেডিক, অ্যাঞ্জেলিকা হিউস্টনের মতো আরও একঝাঁক অভিনয়শিল্পী। ভৌতিক ছবি ‘ব্রাইটবার্ন’-এর পরিচালক জেমস গুন। এতে অভিনয় করেছেন এলিজাবেথ ব্যাঙ্কস, ডেভিড ডেনম্যান, ম্যাট জোন্স প্রমুখ। অন্যদিকে, আবারও হলিউডের রুপালি পর্দা কাঁপাতে আসছে ডিজনির ছবি ‘আলাদিন’। ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তুলেছিলো ডিজনির অ্যানিমেশন ছবি ‘আলাদিন’। এবার সম্পূর্ণ নতুনরূপে দর্শকদের সামনে আনতে যাচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্স’। আলাদিনের নতুন এ সংস্করণটি পরিচালনা করেছেন শালর্ক হোমসখ্যাত ব্রিটিশ পরিচালক গাই রিচি। ছবিটির সবচেয়ে বড় চমক, এতে আলাদিনের দৈত্যরূপে দেখা যাবে হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা উইল স্মিথকে। উইল স্মিথ ছাড়াও আলাদিনের ভূমিকায় দেখা যাবে কানাডীয় অভিনেতা মেনা মাসুদকে। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন, নাওমি স্কট, মারওয়ান কেনজারি, নাসিম পেদ্রাদ, বিলি ম্যাগনুসেনসহ আরও অনেকে।

জন উইক: চ্যাপ্টার ৩
’জন উইক’ একজন সাবেক হিটম্যান। সবকিছু ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চান তিনি। কিন্তু আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়াদের সেই অন্ধকার জগত তার পিছু ছাড়ে না। এমনই গল্প নিয়ে তৈরি কিয়ানু রিভসের দুধর্ষ জন উইকের চরিত্র।
২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জন উইক’ ও ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জন উইক: চ্যাপ্টার ২’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন কিয়ানু রিভস। যথারীতি এবারের পর্বেও প্রধান চরিত্রে থাকছেন তিনি। আরও অভিনয় করেছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী হ্যালি বেরি, লরেন্স ফিশবার্ন, মার্ক ড্যাকেসকস, কেট ডিলন, ল্যান্স রেডিক, অ্যাঞ্জেলিকা হিউস্টনের মতো আরও একঝাঁক অভিনয়শিল্পী। ছবিতে সোফিয়া চরিত্রে দেখা যাবে হ্যালি বেরিকে। শুটিং করতে গিয়ে পাঁজর ভেঙে ফেলেছিলেন তিনি। খুনোখুনির ছবি বলে কথা, দু’একটা হাড়গোড় ভাঙার দৃশ্য দেখা যাবে, সেটা জানা কথা। কিন্তু সত্যি সত্যি হাড় ভেঙে বসলেন কীভাবে হ্যালি? আবার তিনি বলেছেন এই আঘাত তার কাছে ‘ব্যাজ অব অনার’-এর মতো। হ্যালি জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্টান্ট অনুশীলন করতে হচ্ছিলো তাঁকে। সেও খালি হাতে নয়। অস্ত্রপাতি নিয়ে অনুশীলন করলে তো পরিশ্রম হবেই। পরিশ্রম যতই হোক, খাওয়াদাওয়া করতে হচ্ছিলো একেবারে মেপে। পরিশ্রম করবেন নাইবা কেন। যে ছবিতে কিয়ানু রিভসের মতো অভিনেতা তাঁর সহশিল্পী, সেখানে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই; যদিও তাঁর সঙ্গে কাজ করতে হবে ভেবে শুরুতে বেশ ভড়কে গিয়েছিলেন হ্যালি। এ প্রসঙ্গে হ্যালি বলেন, ‘রিভসের সঙ্গে কাজ করব, ব্যাপারটা রোমাঞ্চকর। কিন্তু প্রথমে একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। কেননা, অভিনেতা হিসেবে সে অনেক বড় মাপের। তার মতো তো আর পারবো না। চেষ্টা করছিলাম কীভাবে তার কাছাকাছি ভালো কাজ করা যায়। আসলে আমি তাকে হতাশ করতে চাইনি।’ এদিকে, ছবির ট্রেইলার প্রকাশের পর দর্শকমহলে আশাব্যঞ্জক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির মতোই গতিশীল অ্যাকশন দৃশ্য এরই মধ্যে দর্শকের প্রত্যাশা বাড়িয়ে তুলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সাফল্যের দিক থেকে আগের দুই ছবিকে ছাড়িয়ে যাবে ‘জন উইক: চ্যাপ্টার ৩’।

ব্রাইটবার্ন
নিঃসন্তান খামারি দম্পতি টোরি এবং কাইলি। অনেকদিন ধরে সন্তান লাভের চেষ্টা করছেন, কিন্তু হচ্ছে না। এ নিয়ে তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। বিশেষ করে টোরির খুব হতাশ। একদিন আচমকা আকাশ থেকে একটি উল্কা এসে পড়ে তাদের খামারের পাশে। দু’জন ছুটে গিয়ে দেখেন সেখানে একটি বাচ্চা পড়ে আছে। বাচ্চাটিকে কোলে করে নিয়ে আসেন তারা। সিদ্ধান্ত নেন বাচ্চাটিকে নিজেদের সন্তানের মত লালন-পালন করবেন। ছেলেটির নাম রাখা হয় ব্র্যান্ডন। তাকে পেয়ে ভালোই চলছিলো তাদের সংসার। কয়েক বছর পর ব্র্যান্ডন আবিস্কার করেন তার মধ্যে অতিমানবীয় শক্তি আছে। টোরি এবং কাইলি বিভিন্ন সময় ব্র্যান্ডনের মধ্যে কিছু অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। ক্রমশ বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে ওঠে সে। কোথাও কোন ভুল আছে বলে মনে হয় কাইলির। টোরি তাকে অদ্ভুত কিছু ড্রইং করতে দেখেন। এক রাতে ব্র্যান্ডন তার ক্লাসমেইট কেইটলিনের বাড়িতে গিয়ে জানালায় দাঁড়িয়ে থাকে। পরদিন সকালে স্কুলে একটি গেম খেলার সময় সহপাঠীরা ব্র্যান্ডনকে ধরতে না পেরে কেইটলিনকে লুকিয়ে দেখার জন্য তাকে বিকৃত বলে গালগাল করে। কেইটলিন তাকে ধরে উপরে উঠানোর চেষ্টা করলে ব্র্যান্ডন তার হাত ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে কেইটলিনকে দেখতে তার বাড়িতে যায় ব্র্যান্ডন। কিন্তু কেইটলিনের মা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কেইটলিনের মাকে খুন করে ব্র্যান্ডন। এসব দেখে ব্র্যান্ডকে কাউন্সেলিং করার চেষ্টা করে তার খালা মেরিলি। কিন্তু কোন কাজ না হওয়ায় তিনি পুলিশকে বিষয়টা জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। ব্র্যান্ডন মেরিলির বাড়িতে গিয়ে তাকে হুমকি দেয়। মেরিলির স্বামী নোয়াহ বিষয়টা তার বাবা-মাকে জানাতে ব্র্যান্ডনদের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলে পথেই তাকে হত্যা করে ব্র্যান্ডন। টোরি এবং কাইলি নোয়াহ’র মৃত্যুর খবর জানতে পারে এবং এ বিষয়ে ব্র্যান্ডনের কোন প্রতিক্রিয়া না দেখে সতর্ক হয় তারা। ব্র্যান্ডনকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় কাইলি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এক শিকারী ট্রিপে নিয়ে যায় তাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two × 4 =