Templates by BIGtheme NET
১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৪ মে, ২০১৯ ইং , ১৮ রমযান, ১৪৪০ হিজরী
Home » বিশেষ সংবাদ » আওয়ামী লীগের হাইব্রিড ছাটাই শুরু, বাদ যাবে না বিএনপি-জামায়াতের আত্মীয়রাও

আওয়ামী লীগের হাইব্রিড ছাটাই শুরু, বাদ যাবে না বিএনপি-জামায়াতের আত্মীয়রাও

প্রকাশের সময়: মে ১৫, ২০১৯, ৩:০৮ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি হাইব্রিড এবং দলে অনুপ্রবেশ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। বলা হচ্ছে হাইব্রিড বা অনুপ্রবেশকারী নেতাদের দাপটে আজ সত্যিকারের ত্যাগী নেতারা অবহেলিত হচ্ছে। বগুড়ায় এক বিএনপি নেতা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে বর্ষীয়ান এক আওয়ামী লীগে নেতাকে পিটিয়েছে এমন খবরও পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ফেনীর সোনাগাজীতে নুসরাত হত্যার ঘটনায় জড়িত সাবেক জামায়াত নেতাকে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসায় হাইব্রিড ইস্যু গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন দলের নীতিনির্ধারকরা।

জানা গেছে, এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য দেশব্যাপি হাইব্রিড নেতাদের তালিকা তৈরীর নির্দেশ দেয়া হচ্ছে । পাশাপাশি ‘হাইব্রিড’দের হাত থেকে দলকে বাঁচাতে তৃণমূল নেতাদের সতর্ক থাকারও বার্তা

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সুবাদে যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াতসহ বিএনপির বিতর্কিত নেতারা অনুপ্রবেশ করেছে, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে এদের দল থেকে ছেঁটে ফেলা হবে।

হাইব্রিডরা আওয়ামী লীগে ভিড়তে শুরু করে ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পরপরই। দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর তা আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকে। ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালের পেট্রোল সস্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত জামায়াত-বিএনপির অনেক নেতা আওয়ামী লীগে ভিড়তে শুরু করেন।

এসব হাইব্রিড নেতারা নানা অঘটনের সঙ্গে জড়িত থাকার পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধও বাড়াতে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি-জামায়াত থেকে কাউকে দলে নিতে নিষেধও করেন। কিন্তু এরপরও থেমে থাকেনি বিএনপি-জামায়াতের এক শ্রেণির নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগে যোগদান।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ১০ বছরে ভোলায় ছাত্রদল-যুবদলের এক হাজারের বেশি নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগ এমন ঘটনা ঘটছে সারা দেশেই। ২০১৭ সালে কেন্দ্র থেকে জেলা-উপজেলায় চিঠি দিয়ে জানানো হয়, জামায়াত-বিএনপি বা তাদের কোনও আত্মীয় আওয়ামী লীগে যোগ দিতে পারবে না। এ বিষয়টিও এখন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘সুবিধাবাদী শ্রেণি চিহ্নিত করে বিতাড়ন করার কাজ অনানুষ্ঠানিকভাবে আগে থেকেই চলছে। আসন্ন সাংগঠনিক সফর এবং সম্মেলনে এ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব থাকবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

19 − 2 =