Templates by BIGtheme NET
১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৪ মে, ২০১৯ ইং , ১৮ রমযান, ১৪৪০ হিজরী
Home » বিশেষ সংবাদ » ৩২ লাখ শিশু পাবে রান্না করা খাবার: যা বললেন শিক্ষাবিদরা

৩২ লাখ শিশু পাবে রান্না করা খাবার: যা বললেন শিক্ষাবিদরা

প্রকাশের সময়: মে ১৫, ২০১৯, ২:৫০ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক:: ১০৪ উপজেলার ৩২ লাখ শিশু পাবে রান্না করা খাবার। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে রান্না করা খাবার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রায় ৩২ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনা হবে। জাতীয় স্কুল মিল নীতি অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদরা।

এর আগে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) সহযোগিতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা, বান্দরবানের লামা উপজেলা, বরগুনার বামনা উপজেলায় ২০১৩ সালে এ প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে চালু করা হলেও, এখন দেশের দারিদ্র্য প্রবণ এলাকার সকল সরকারি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পটি চালু করতে চায় তারা।

আগামী জুলাই থেকে আরও ১৬টি উপজেলায় চালু হবে দুপুরে খাবার দেয়ার এই কর্মসূচি। পরে এর আওতায় আসবে ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ১৬টি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখে বাকি উপজেলাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে, তার ছক কষা হবে। আগামী বছরের মধ্যে এসব প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি। এর মধ্যে দারিদ্র্য প্রবণ ১০৪টি উপজেলায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ লাখের মতো। এদের দুপুরের মিল দেওয়া হবে।

প্রাথমিকের মিল সিস্টেম করায় সন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষাবিদ ড. একে আজাদ চৌধুরী বলেন, আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি যে এই মিল সিস্টেমটা সরকার চালু করছে। এর ফলে অবহেলিত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসবে। খাওয়ার জন্য হলেও স্কুলে আসবে কিছু শিখবে। ঝড়ে পরবেনা অন্তত। এটা ভালো উদ্যোগ।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় শিক্ষাবিদ যতীন সরকারের সাথে তিনি বলেন, ১০৪টি উপজেলার শিশুরা দুপুরের মিল স্কুলে করবে এটা খুবই দারুণ খবর বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য। এই উদ্যোগটির জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। স্কুলে মিল সুবিধা দেওয়ায় শিশুদের মা-বাবা শিশুদের খুব সহজে স্কুলে পাঠাতে পারবে। আমি বলতে চাই, সরকার এই প্রকল্পটি অব্যাহত রাখুক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

five × 1 =