Templates by BIGtheme NET
৬ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » খেলাধূলা » ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ জাতীয় সঙ্গীত বাংলাদেশের, স্বল্প ইংল্যান্ডের

ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ জাতীয় সঙ্গীত বাংলাদেশের, স্বল্প ইংল্যান্ডের

প্রকাশের সময়: মে ১৫, ২০১৯, ১২:৪২ অপরাহ্ণ

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ কড়া নাড়ছে দরজায়। মূল আসর শুরু হতে আর মাত্র চৌদ্দ দিন বাকি। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ নিয়ে চলছে নানান ধরনের হিসাব নিকাশ। এবার আলোচনা করা হল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দশ দলের জাতীয় সংগীত নিয়ে। ম্যাচের আগে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় ক্রিকেট দলগুলোর। সেখানে পুরোটা বাজানো হয় না। যেটুকু বাজানো হয় তার ভিত্তিতে কোন দেশের সঙ্গীত কতটুকু জেনে নেই-

ইংল্যান্ড

ক্রিকেট খেলার জনক বলা হয় ব্রিটিশদের। সবচেয়ে কম দৈর্ঘ্যের জাতীয় সঙ্গীতের রেকর্ড তাদেরই দখলে। ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো এই জাতীয় সঙ্গীত ৪০ সেকেন্ড বাজানো হয়।

ভারত

জাতীয় সঙ্গীত কম দৈঘ্যের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ভারত। মাত্র ৫২ সেকেন্ড বাজানো হয় জাতীয় সঙ্গীতটি। দেশটির সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ভাষা হিন্দি হলেও জাতীয় সঙ্গীত কিন্তু বাংলায় কম্পোজ করা।

অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীত ‘অ্যাডভান্স অস্ট্রেলিয়া ফেয়ার’ মাত্র ৫৫ সেকেন্ড সময় বাজানো হয়। তাদের জাতীয় সঙ্গীত অনেক উৎসাহব্যঞ্জক শব্দে সাজানো।

নিউজিল্যান্ড

অন্যান্য ব্রিটিশ কলোনির মতোই কিউইরাও ক্রিকেট মাঠে ‘গড সেইভ দ্য কুইন’ গানটি জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাইতো। কিন্তু ১৯৭৬ সাল থেকে এই গানের স্থলাভিষিক্ত হয় ‘গড ডিফেন্ড নিউজিল্যান্ড’ গানটি। এটি তাদের দ্বিতীয় জাতীয় সঙ্গীত। যার দৈর্ঘ্য এক মিনিটের চেয়ে সামান্য বেশি।

জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ের জাতীয় সঙ্গীত “লিফট হাই জিম্বাবুয়ে’স ব্যানার” নিউজিল্যান্ডের মতই এক মিনিটের একটু বেশি। যদিও এই দৈর্ঘ্য নির্ভর করে গানটির ভার্সনের উপর। শোনা, এনডেবেলা এবং ইংরেজি এই তিন ভাষায় গাওয়া হয় জিম্বাবুয়ের জাতীয় সঙ্গীত।

৫) পাকিস্তান

ক্রিকেট ম্যাচের আগে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত ‘কওমী তারানা’ প্রায় দেড় মিনিট বাজানো হয়। খেলতে নামার আগে তাদের জাতীয় সঙ্গীতটি বাড়তি অনুপ্রেরাণা জোগায়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাতীয় সঙ্গীত একেবারেই আলাদা। ক্রিকেটের স্বার্থে উইন্ডিজ ক্রিকেট কর্তারা বার্বাডোজ, গায়ানা, জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাকো, লিওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জ এবং উইন্ডওয়ার্ড দ্বিপপুঞ্জের জন্য ১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের একটি গান কম্পোজ করেছে। ‘র‍্যালি রাউন্ড দ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ’ শিরোনামের গানটি শুধুই ক্রিকেটীয় একতার জন্য, ভাবা যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রোটিয়াদের জাতীয় সঙ্গীত ‘গড ব্লেস আফ্রিকা’র দৈর্ঘ্য প্রায় ২ মিনিট। দুটি ভিন্ন জাতীয় সঙ্গীত এক করে কম্পোজ করা এই সঙ্গীতের মাঝখান থেকে মেলোডিও আলাদা, শেষও হয় ভিন্নভাবে।

শ্রীলঙ্কা

জাতীয় সঙ্গীতের দৈর্ঘ্যের বিচারে দ্বিতীয় স্থানে আছে এশিয়ান লায়ন্সরা। ২ মিনিট কিছু বেশি সময় তাদের জাতীয় সঙ্গীত ‘উচ্চালা জালাধি তারাঙ্গা’ অংশটুকু ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের অংশ। এই জাতীয় সঙ্গীতের অফিসিয়াল ভাষা ২টি- সিংহলি ও তামিল। এই তামিল আবার ভারতের দক্ষিণের একটি প্রচলিত ভাষা।

বাংলাদেশ

টাইগারদের জাতীয় সঙ্গীতের দৈর্ঘ্যের বিচারে সবচেয়ে বড় । খেলার মাঠে নামার আগে প্রায় ২ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড সময় বাজানো হয় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই সঙ্গীত টাইগারদের আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান হওয়ার শক্তি জোগায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 + nineteen =