Templates by BIGtheme NET
৬ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ১৯ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » অর্থনীতি » মাথাপিছু আয়ে ভারতকে টপকে যাচ্ছে বাংলাদেশ

মাথাপিছু আয়ে ভারতকে টপকে যাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময়: মে ১৪, ২০১৯, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

দ্রুত প্রবৃদ্ধি মানুষকে চরম দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি নিয়ে আসে ভালো স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাব্যবস্থাও। এছাড়া পণ্য ও সেবায় নিয়ে আসে বাড়তি প্রবেশাধিকার। উচ্চপ্রবৃদ্ধিসৃষ্ট বাড়তি আয়ের কারণে সাধারণত সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মাত্রা হ্রাস পায়। একই সঙ্গে তা সুগম করে তোলে কাঠামোগত সংস্কারের পথকেও। যা গত ১০ বছরে বাংলাদেশে হয়েছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

গত ১২ মে লন্ডনভিত্তিক বহুজাতিক ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড যেসব দেশ ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে বলে ধারণা করা হয়, সেসব দেশের অর্থনীতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

গবেষণা বলছে, ২০২০-এর দশকটি হতে যাচ্ছে এশীয়দের। এ সময় ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশের তালিকায় মহাদেশটির আধিপত্য থাকবে একচেটিয়া। ২০৩০ সাল নাগাদ মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ। মাথাপিছু আয়ে এশিয়ার দুই দেশ ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের পরেই থাকবে বাংলাদেশ।

গবেষণা জানায়, ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় হবে ৫ হাজার ৭০০ ডলার। এ আয় ভারতের মাথাপিছু আয়কেও ছাড়িয়ে যাবে। ২০৩০ সাল নাগাদ ভারতের মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ৫ হাজার ৪০০ ডলার। যদিও মাথাপিছু আয়ে বাংলাদেশের চেয়েও বেশি উল্লম্ফন হবে ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের। ২০৩০ সাল নাগাদ ভিয়েতনামের মাথাপিছু আয় বেড়ে হবে ১০ হাজার ৪০০ ডলার। আর ফিলিপাইনে এ আয় দাঁড়াবে ৬ হাজার ৯০০ ডলারে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড মনে করছে, এ তালিকার দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর জিডিপি দাঁড়াবে লক্ষণীয় অবস্থানে। এর কারণ হলো ২০৩০ সালে এসব দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়াবে বৈশ্বিক জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশে। এক্ষেত্রে ভারতের জন্য আশীর্বাদ হতে যাচ্ছে দেশটির জনতাত্ত্বিক বৈচিত্র্য। অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ। ২০১০ সাল থেকেই এ তালিকায় বাংলাদেশের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 + one =