Templates by BIGtheme NET
১১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ২৪ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » জাতীয় » তথ্যপ্রযুক্তির মেগা প্রকল্পগুলো নিয়ে যে কৌশলে এগোচ্ছে সরকার

তথ্যপ্রযুক্তির মেগা প্রকল্পগুলো নিয়ে যে কৌশলে এগোচ্ছে সরকার

প্রকাশের সময়: মে ১২, ২০১৯, ১০:০৭ অপরাহ্ণ

বর্তমান সরকারের টানা শাসনামলে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ভৌতিক উন্নয়ন ঘটেছে। এই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে কয়েকটি মেগা প্রকল্প নিয়ে এগুচ্ছে সরকার। বর্তমানে সরকারের হাতে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির তিন মেগা প্রকল্প। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২, সাবমেরিন ক্যাবল-৩ ও নিরাপদ ইন্টারনেট। সরকারের এই মেয়াদেই তিনটি মেগা প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

 

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ : দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ ছিল কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। গত বছর ১১ মে এটি উৎক্ষেপন করা হয়। সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহাকাশে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট পাঠানো হবে যার নাম হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২।

এ প্রসঙ্গে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের যোগাযোগ স্যাটেলাইট হয়েছে। কিন্তু আমাদের অবজারভেটরি (পর্যবেক্ষণ) বা ওয়েদার (আবহাওয়া) স্যাটেলাইট নেই। এ ধরনের স্যাটেলাইট আমাদের দেশের জন্য খুবই প্রয়োজন। এবার এই নির্ভরশীলতা কমানো হবে।

 

সাবমেরিন ক্যাবল-৩ : সাবমেরিন ক্যাবল-৩ এর বিষয়ে সরকারের হাতে দুটি প্রস্তাব রয়েছে। প্রথমটি হলো সি-মি-উই-৬। এরই মধ্যে সরকার সি-মি-উই-৬ কনসোর্টিয়ামে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে সম্মতিও দিয়েছে। অন্যদিকে, মিয়ানমার-থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুর লাইনের জন্য প্রস্তাব এসেছে সরকারের কাছে।

 

জানা গেছে, বর্তমানে দেশের যে ব্যান্ডউইথ রয়েছে তা ২০২৩ সালের মধ্যে ফুরিয়ে যাবে। দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ দিয়েও কুলিয়ে ওঠা যাবে না। অন্যদিকে, সি-মি-উই-৪ ক্যাবলের আয়ুও ফুরিয়ে যাচ্ছে। কোনও কারণে সি-মি-উই-৪ বিকল হয়ে গেলে বিপদে পড়বে বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশকে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যেতেই হবে। এছাড়া ৬টি আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল) দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশ ব্যান্ডউইথ আমদানি করছে। ফলে ব্যান্ডউইথের নির্ভরতাও রয়েছে।

 

নিরাপদ ইন্টারনেট : দুটি শব্দের একটি প্রকল্প হলেও সরকার এ বিষয়ে বিশাল এক কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে। দেশের মানুষের হাতে নিরাপদ ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। পাশাপাশি শিশুরা যেন ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকে সে কারণেও কনটেন্ট ফিল্টারিং, পর্নোসাইট বন্ধের কাজে হাত দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে মোস্তাফা জব্বার জানান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ডিওটি বা ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে। তখন ইন্টারনেটকে নিরাপদ রাখতে আরও বেশি সক্ষমতা অর্জন করবে দেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

13 − 8 =