Templates by BIGtheme NET
১১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ২৪ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » রামাদান স্পেশাল » যখন আমরা রোজা রাখি তখন কী কী ঘটে আমাদের শরীরে ? (ভিডিও)

যখন আমরা রোজা রাখি তখন কী কী ঘটে আমাদের শরীরে ? (ভিডিও)

প্রকাশের সময়: মে ১২, ২০১৯, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ

জান্নাতুল ফেরদাউসঃ

ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণকর, পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। তাই এতে স্বাস্থ্যনীতিও রয়েছে। দেহকে অযথা কষ্ট দেয়া ইসলামের বিধি নয়। রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম। সকল সক্ষম ঈমানদারদের উপর আল্লাহ রমজানের এক মাস রোজা ফরজ করেছেন।

তিনি এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করেছেন, “ওয়া আনতা সুউমু খাইরুল লাকুম ইনকুনতুম তা’লামুন” অর্থাৎ তোমরা যদি রোজা রাখো তবে তাতে রয়েছে তোমাদের জন্য কল্যাণ, তোমরা যদি সেটা উপলব্ধি করতে পারো।” (সূরা বাকারাহ-১৮৪)।
বস্তুত এ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা রোজা পালনের নানাবিধ কল্যাণের প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ গবেষণা করে উপরোক্ত আয়াতের সত্যতা প্রমাণ করেছেন। রোজার সকল হুকুম আহকাম স্বাস্থ্যরক্ষার দিকে লক্ষ্য রেখেই করা হয়েছে।

রোজা পালনের ফলে মানুষের শরীরে কোনো ক্ষতি হয় না বরং অনেক কল্যাণ সাধিত হয়, তার বিবরণ কায়রো থেকে প্রকাশিত Scince for Fasting গ্রন্থে পাওয়া যায়।
পাশ্চাত্যের প্রখ্যাত চিকিৎসাবিদগণ একবাক্যে স্বীকার করেছেন যে “রোজা রাখা অবস্থায় শরীরের ক্ষমতা ও সহ্যশক্তি উ

ল্লেখযোগ্য: সঠিকভাবে রোজা পালনের পর শরীর প্রকৃতপক্ষে নতুন সজীবতা লাভ করে।” রোজা একই সাথে দেহে রোগ প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। রোজা পালনের ফলে দেহে রোগ জীবাণুবর্ধক  অস্ত্রগুলো ধ্বংস হয়, ও ইউরিক এসিড বাঁধা প্রাপ্ত হয়। যার ফলে বিভিন্ন প্রকার নার্ভ সংক্রান্ত রোগ থেকে মুক্তি মেলে। রোজাদারের শরীরের পানির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার ফলে চর্মরোগ বৃদ্ধি পায় না।

বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক ডা. নূরুল ইসলাম বলেছেন, “রোজা মানুষের দেহে কোনো ক্ষতি করে না। ইসলামের এমন কোনো বিধান নেই, যা মানবদেহের জন্যে ক্ষতিকর। গ্যাস্ট্রিক ও আলসার-এর রোগীদের রোজা নিয়ে যে ভীতি আছে তা ঠিক নয়। কারণ রোজায় এসব রোগের কোনো ক্ষতি হয় না বরং উপকার হয়।

শেষ কথা হলো ব্যক্তি নিজের দৃঢ় মনোবল ও প্রবল ইচ্ছা শক্তির মাধ্যমে ছোটখাট রোগ ব্যাধি দূরে ঠেলে রাখতে পারে। বিশেষ প্রয়োজনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।রোজা ইচ্ছা শক্তিকে শক্তিশালী করে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। রোজার মাধ্যমে অর্জিত তাকওয়ার গুণ মানুষের অনেক উপকার করে। যার দ্বারা অনেক মন্দ স্বভাব যেমন ধূমপানসহ যে কোনো নেশা জাতীয় অভ্যাস, মদ্যপানের অভ্যাস রমযান মাসে পরিত্যাগ করা সম্ভব। তাই আসুন সকলে মিলে রোজা রেখে নানাভাবে উপকৃত হতে চেষ্টা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

four × two =