Templates by BIGtheme NET
১১ ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৬ আগস্ট, ২০১৯ ইং , ২৪ জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী
Home » ধর্ম ও জীবন » অমুসলিমরাও ভিড় জমায় যে পাঁচ মসজিদ দেখতে

অমুসলিমরাও ভিড় জমায় যে পাঁচ মসজিদ দেখতে

প্রকাশের সময়: মে ১১, ২০১৯, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মাদ এনামুল হক এনা: মুসলমানদের দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য নির্মিত স্থাপনাকে সাধারণত মসজিদ বলে। মসজিদের আভিধানিক অর্থ শ্রদ্ধাভরে মাথা অবনত করা অর্থৎ সিজদাহ করা। বিশ্বে এমন কিছু মসজিদ রয়েছে যেগুলো এর নির্মানশৈলী, ইতিহাস ও নান্দনিকতার জন্য বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে আকৃষ্ট করে। আমরা এমন ৫টি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের কথাই তুলে ধরবো-

মসজিদুল আকসা, জেরুজালেম
আল-আকসা মসজিদ বাইতুল মুকাদ্দাস নামেও পরিচিত। জেরুজালেমের এই মসজিদটির প্রাঙ্গণে কুব্বাত আস সাখরা, কুব্বাত আস সিলসিলা ও কুব্বাত আন নবী নামক স্থাপনাগুলো অবস্থিত। এই জায়গাটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ও বলা হয়। এই এলাকাটি বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মসজিদুল হাসান–আল শানী, মরক্কো
মরক্কোর সবচেয়ে বড় শহর ক্যাসাবালাঙ্কায় আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত এই মসজিদটি। অনেকটা মোঘল স্থাপত্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত মসজিদুল হাসান–আল শানী। মসজিদটির অবস্থান প্রায় ২১ হাজার বর্গমিটার জমির ওপরে। প্রায় ৪০ হাজার হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারে এই মসজিদে।

তাজুল মসজিদ, ভারত
ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ এটি। মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের শাসনামলে নবাব শাহজাহান বেগম এর নির্মানকাজ শুরু করেছিলেন। মাওলানা সাইয়্যেদ হাসমত আলী সাহেব ১৯৮৫ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ করেন। তিনটি গম্বুজ ও দুটি সুউচ্চ মিনার, সামনে রয়েছে বিশাল চত্বর। মসজিদের ভেতর ও বাইরে মিলে এক লাখ ৭৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারে। চত্বরের মাঝখানে রয়েছে বিশাল পানির হাউস। মসজিদটির আয়তন প্রায় ৪৩ লাখ স্কয়ার ফুট।

জহির মসজিদ, মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে অবস্থিত জহির মসজিদ দেশটির সবচেয়ে প্রাচীন একটি মসজিদ। ১৯১২ সালে সুলতান তাজউদ্দীন মুকারাম শাহর ছেলে টুংকু মাহমুদের অর্থায়নে এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের কথা মাথায় রেখেই মসজিদটিতে পাঁচটি গম্বুজ নির্মাণ করা হয়েছে। এক পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিবছর যত পর্যটক এই মসজিদ দেখতে আসে, তার মধ্যে ১০ শতাংশই হলো অমুসলিম।

শেখ জায়েদ গ্রান্ড মসজিদ, আবুধাবি
এই মসজিদটি বিশ্বসেরা মসজিদ্গুলোর একটি। ১৯৯৬ সালে এর নির্মানকাজ শুরু হয়ে শেষ হয় ২০০৭ সালে। এটি নির্মানে অংশ নিয়েছিলেন তিন হাজারের বেশি শ্রমিক। গতবছর অক্টোবরে ইসরায়েলি মন্ত্রী মিরি রেজেভও এই মসজিদটি ঘুরে দেখেন। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও হয়েছিল। ৩০ একর জমির উপর নির্মিত এই মসজিদটিতে সাতটি গম্বুজ রয়েছে, যার উচ্চতা ২৭৯ ফিট। রয়েছে ৩৫১ ফিট উচ্চতার চারটি মিনার। ৪১ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে মিলিত হয়ে এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

2 × five =